দেবপ্রসাদ জানার লেখা কবিতা
।চুয়াত্তরে স্বাধীনতা।।
দেবপ্রসাদ জানাস্বাধীনতা তুমি বুড়ি হয়েছো এখনি
চুয়াত্তরে তুমি বৃদ্ধা, পাপ অপরাধ
হিংসা বিবাদের মাতা, মানুষ হয়নি
কেন তোমার সন্তান,হয়নি প্রহ্লাদ।
অপদার্থ অকর্মণ্য সন্তান তোমার
খুনখুনি রাহাজানি ধর্ষণ ব্যতিত
দিনকাটে না তাদের,অকৃতোপকার
বিপন্ন বিস্ময়ে কাঁপে পার্থিব ক্ষুধার্ত
মহাস্তব্ধতায় তুমি অবহেলা করো
শাসনে রক্ত নয়নে শূন্যময় প্রাতে
প্রত্যাশা পীড়িত মন নিরাশায় ভরো
বোধের মরন হয় স্বাধীন ভারতে
জাগো মাতা স্বাধীনতা অস্ত্র তুলে নাও
দুয়ারে তোমার শত্রু, কেন ভুলে যাও।
।। আকাঙ্ক্ষা।।
দেবপ্রসাদ জানা
জীবনের কত দিন অধরা থেকেছে
কত অসমাপ্ত কথা বলতে পারিনি
মনের আকাঙ্ক্ষা মনে আজো রয়ে গেছে
কোন কথা বলা হবে তখনো বুঝিনি।
একটা পোকা শরীর বেয়ে প্রতিদিন
মাথায় উঠতে চায়, মনের অজান্তে
পোকাটা ধমনী ফুঁড়ে শোণিতে বিলীন
উন্মুক্ত যৌবন ডাকে পলাশ বসন্তে
আঠারো পার করিনি,তখনো কৈশোর
যৌবনের পোকা গুলো সবে অঙ্কুরিত
স্বপ্নের নীল ধোঁয়ায় হৃদয় বিভোর
লাল কুসুম সূর্যের তেজ প্রকাশিত।
উন্নত পর্বত মালা হাঁক দিয়ে ডাকে
আদিম উষ্ণতা খোঁজে গুহামানবকে।।
সনেট (শেক্সপিয়ারীয় রীতি)
[কখকখ, গঘগঘ, ঙচঙচ, ছছ]
।ঝড়ের প্রেমিকা শাড়ি।
দেবপ্রসাদ জানা
৭.৯.২০২০
দেখরে বাতাস,মোর ঘরে ছাদ নেই।
নেই,জানালার কাঁচ,দরজায় খিল।
মন পাহারার বেড়া,তাও মোর নেই?
দেখ মোরে ছুঁয়ে যায়,আকাশের নীল।
লুকোচুরি খেলা খেলে,ঝড়ের বাতাস
কখনো জানলা হয়ে,দরজায় আসে
যা নারে বাতাস তুই, তাকে বলে যাস
বেসামাল খোলা শাড়ি,তারে ভালোবাসে।
তার সাথে চলে যাবে,বলে দিস তাকে।
বোঝাপড়া হয়েছিল, সেই একদিন।
এলোমেলো প্রেম তার,কতদিন থাকে?
জানলা দিয়ে পালিয়ে,যায় প্রতিদিন।
ভালোবাসা ততদিন,যতদিন দেহ।
একথা বলিস নারে,মানবে না কেহ।

Comments
Post a Comment