হংস মিথুন

 হংস মিথুন

তপন ঘোষ


আদিগন্ত বিস্তৃত বিকেলের বিষন্ন আকাশ
কোথাও বা সাদা ফিন ফিনে ক্রিষ্টাল প্লেট,
কিছু বাদেই ঝাঁকে ঝাঁকে সাইবেরিয়ান ডাক এ
ছেয়ে যাবে বিষন্ন সে আকাশ।
পাখায় পাখা বেঁধে শত শত জোড়া
আকন্ঠ তৃষ্ণা নিবারন শেষে
ভেসে চলেছে একটার পর একটা
কি এক পূর্ণ আবেশে।
বিনা সুতায় গাঁথা কালো পূঁতির মালা
জ্যামিতিক বিভঙ্গেে ছড়িয়ে পড়েছে
বিষন্ন সে আকাশে।
ফিরে যাবে পিতৃভূমি সাইবেরিয়া।
অভ্যর্থনা জানাবে হয়তো-বা পথে
লোভাতুর চোরা কোনো শিকারী।
একনলা,দোনলা বন্দুকে,
কেউবা আবার ছল করে
বাঁশিতে তুলবে সুরের মূর্ছনা,
কেমন এক অজানা আকুতির।
সে সুর শুনে দিক চক্রবালে
দেখা যাবে ঝাঁকে ঝাঁক।
আর তখনি হয়তো শরবিদ্ধ হবে
ক্রৌঞ্চ মিথুনের কোনো এক জুটি
না হয় জুটি থেকে খসে পড়া
কোনো এক হৃদয়ের পলক।
অস্তগামী সূর্যের আলোয়
রক্তাক্ত হবে পশ্চিমাকাশ।
সাইবেরিয়ান ডাক এর সে মায়ায়
গোধূলি আকাশ উঠবে ভরে তারায় তারায়।।                                        

নবান্নের প্রস্তুত।। 
--------------------------------------------------------
রিমঝিম রিমঝিম ঘণ বরিষায়
ভিজবে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ,
তপ্ত বোশেখের রোদেে চৌচির হওয়া
ফসলের ক্ষেত----------
আকন্ঠ নিমজ্জিত হবে সে বৃষ্টিতে। 
বর্ষার সে শব্দে ফুটবে অমলিন           
হাসি এক,কৃষকের মুখে।
পাগল পরা হবে প্রকৃতি, হবে যৌবনা।
বৃক্ষরাজি মেতে উঠবে সে বরিষণেে।
দেবদারু, শাল-পিয়াল, তমালের বন
আন্দোলিত হবে সে রিমঝিমতায়,
দূর্বার কচি ডগা গুলি ভরে যাবে গলায় গলায়।
আকর্ণ হাসিতে ভরবে কৃষকের বৌ
চাঁপা নয়,উচ্ছাসের! জীবনের।
কৃষকের চোখে মুখে ভাসবে আগামীর স্বপ্ন, 
ঋতুবতি প্রকৃতিতে প্রস্তুতি শুরু হবে নবান্নের।।   




Comments